অনলাইন নিউজ ডেক্স:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে জল্পনা-কল্পনার অবসান হতে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই জোটের শরিকদের মধ্যে চূড়ান্ত আসন সমঝোতায় পৌঁছানো হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, শীঘ্রই ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হতে পারে। তাঁর এই বক্তব্যের পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে জোটের সম্ভাব্য আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে ওঠে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বেশি আসনে প্রার্থী দিতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, দলটি প্রায় ১৯০টি আসনে নির্বাচন করবে। বাকি ১১০টি আসনে জোটের অন্য ১০টি দল নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
একটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন এই জোটের অন্যতম বড় শরিক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রায় ৪০টি আসনে প্রার্থী দিতে পারে। অন্যদিকে, শেষ পর্যায়ে জোটে যুক্ত হওয়া ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) লড়তে পারে ৩০টি আসনে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১৫টি আসনে, খেলাফত মজলিস ৭টি আসনে, এলডিপি ৭টি আসনে এবং এবি পার্টি ৩টি আসনে প্রার্থী দিতে পারে। বিডিপি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে ২টি আসনে, আর জাগপা লড়বে একটি আসনে। অবশিষ্ট ৫টি আসনে জোটের আরও তিনটি শরিক দলের প্রার্থী দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সব মিলিয়ে ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হলে নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।