1. hello@channelz24.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.channelz24.com : TV :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন

সাগরে ‘ভাসমান গুদামে’র বিরুদ্ধে দুদকের অভিযান

প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন নিউজ ডেক্স:

রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বঙ্গোপসাগরে ‘ভাসমান গুদাম’ বানিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি ও দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে অভিযান চালায় দুদকের একটি টিম। এতে নেতৃত্ব দেন সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।

রমজানকে সামনে রেখে ছয় বড় আমদানিকারকসহ একটি বড় সিন্ডিকেট প্রায় ১০ লাখ টনের বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে অন্তত ৬০০ লাইটার জাহাজ দেশের নদী ও সাগরে মাসের পর মাস ভাসিয়ে রেখেছে। গম, ভুট্টা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন ও চিনির মতো খাদ্যপণ্য ঘাটে নামার বদলে জাহাজেই আটকে থাকায় একদিকে লাইটার সংকট তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে বাজারে পণ্যের ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি ও অসৎ উদ্দেশ্যে দাম বাড়ানোর অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হচ্ছে। আমদানিকারকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে লাইটার জাহাজ থেকে দীর্ঘদিন পণ্য খালাস না করে সেগুলোকে নদী ও সমুদ্রে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছেন।

অভিযানে এনফোর্সমেন্ট টিম চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দপ্তরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করেন। স্বাভাবিক অবস্থায় একটি লাইটার জাহাজ যেখানে ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করে পরবর্তী ট্রিপের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কথা, সেখানে বর্তমানে অনেক জাহাজ ৩০ থেকে ৪০ দিন ধরে পণ্যবোঝাই অবস্থায় নদী ও সাগরে ভাসছে।

দুদকের অভিযানে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনার বাস্তবায়ন নিয়েও অনুসন্ধান চালানো হয়। নৌ বাণিজ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে স্মারক নম্বর ৭১৩ মূলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর একটি অফিসিয়াল পত্র জারি করে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনাপত্তি সনদ ছাড়া কোনো লোকাল এজেন্ট ও পণ্যের এজেন্টকে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত না রাখার নির্দেশ দেন।

দুদক জানায়, ওই পত্রের আলোকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বর্তমানে নৌপরিবহন অধিদপ্তর থেকে অনাপত্তি সনদ গ্রহণ করছে না বলে মহাপরিচালক নিশ্চিত করেছেন। এরপরও বন্দরের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে কি না, তা যাচাই করতে ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার অপারেশন, হারবার মাস্টার ও ডেপুটি কনজারভেটর দপ্তরের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সব তথ্য বিশ্লেষণ শেষে এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশনের কাছে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
©
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট